alormisil

June 3, 2020

মানুষের কথা ভেবে

এই সময়েও নারীদের ওপর নির্যাতন থেমে নেই। এজন্য কর্মসূচির তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে সেক্টর স্পেশালিষ্ট কাউন্সিলিং আপার মাধ্যমে অনলাইনে টেলি কাউন্সিলিং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি এবং হয়রানির শিকার হচ্ছেন এমন নারীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাদেরকে মানসিকভাবে কিছুটা হালকা করার চেষ্টা করি।
May 28, 2020

নির্ভীক, নিঃস্বার্থ
এক যোদ্ধা

লকডাউন ঘোষণার পর প্রথম এক মাস কারওয়ান বাজার এলাকায় সকল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের আসা-যাওয়া ছিল প্রায় বন্ধ। বলতে গেলে, সিজুকা একাই ছিলেন মাঠে। মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল তাগিদ তাঁকে ঘরে থাকতে দেয়নি। নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই তা সতর্কতা মেনে বেরিয়েছেন পথে। বিশেষ করে তখন সামনে ছিল রমজান মাস। মাঠে না থাকলে বাজারে প্যাকেটজাত দুধের ঘাটতি দেখা দিত।
May 28, 2020

আমাদের যুদ্ধ

রাস্তায় সাধারণ মানুষ, দোকানি যাদের সাথেই দেখা হলো সকলকে লিফলেট দিয়ে কীভাবে ও কেন জীবাণুমুক্ত থাকতে হবে তা বোঝানোর চেষ্টা করতে লাগলাম, সাথে তখনই একবার হেক্সিসল দিয়ে হাত তাদের ধোয়ার ব্যবস্থা। বাজারের এক প্রান্তে একটি কীটনাশকের দোকান থেকে ৩টি স্প্র্রে মেশিন ও জীবাণুনাশক কিনে নিলাম। তারপর স্প্রে মেশিনে পানি ভরে তাতে প্রয়োজনীয় জীবাণুনাশক মিশিয়ে শুরু করলাম আমাদের অভিযান।
May 14, 2020

মানবতার সেবাই
শ্রেষ্ঠ সেবা

কড়াইল বস্তির পুরোটাই আমাদের দেখভাল করতে হয়। এখানকার মানুষেরা আমার কথা শোনেন, মানেন এবং বিশ্বাসও করেন। ড্রেন এবং রাস্তা তৈরির মতো কাজে সহযোগিতা করায় বস্তিতে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।
May 12, 2020

করোনা কালের প্রাপ্তি

অফিস-আদালত, দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে গেল ঠিকই, কিন্তু আমরা থামিনি। আমরা পরিবারের কাছে  ফিরে না গিয়ে ব্র্যাকের পক্ষে জনগণের পাশে দাঁড়ালাম। নিজের সিদ্ধান্তের কথা মাকে জানালাম। বললাম, আমি এই কাজের সাথে থাকতে চাই, তাই এই মুহূর্তে আর বাসায় ফিরছি না।
May 3, 2020

মানবতার মঙ্গলের আশায়

মহামারির দিনে মানুষের এত ধরনের আর্থিক, সামাজিক, পারিবারিক কষ্ট দেখে নিজের চোখের জল আটকানো কঠিন হয়ে পড়ে, বারবার মনে পড়ে যায় নিজের কষ্টের কথা। তাও আশায় বুক বাঁধি, নিশ্চয় আমরা সকল প্রতিকূলতাকে জয় করতে পারব।
April 28, 2020

মানবতার জয় হোক

অসহায়, দরিদ্র মানুষ তাদের সুখ-দুঃখে আমাকে সাথি করে নেন। বিপদে পড়লে মনে করেন আমি তাদের জন্য কিছু করতে পারব, মনে কোনো দ্বিধা না রেখেই আমাকে তাদের সমস্যার কথা বলেন। এই মহামারির দিনে মনে হয় আমি তাদের পরিবারেরই একজন হতে পেরেছি।
April 26, 2020

একজন সাধারণ মানুষের অসাধারণ লড়াই

কখনও ভাবিনি আমাদের দেশে করোনার মতো মহামারি দেখতে হবে। এমন দুর্দিনে আমার মতো সাধারণ একজন হয়েও আশেপাশের এত মানুষের সেবা দিতে পারব, তাদের সচেতন করে তোলার সুযোগ পাব- এ ছিল চিন্তারও অতীত।
April 21, 2020

মহামারি প্রতিরোধ যার প্রতিজ্ঞা

সাধারণ মানুষকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে আমরা বিলি করেছি ১২,০০০ লিফলেট। মানুষের ঘর থেকে ঘরে, দোকানে, ফার্মেসিতে, হাসপাতালে, থানায়- প্রতিটি জায়গায় আমি ও আমার কর্মীরা গিয়ে গিয়ে এই রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে বোঝাতে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। প্রচারণার প্রত্যেকটি উপায়কে আমরা কাজে লাগাচ্ছি।  কোনো দিক থেকেই যেন ঘাটতি না থাকে।
April 19, 2020

মানবতার বাঁশিওয়ালা

আলিম ভাইয়ের পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেখে তার অফিস এবং শ্বশুরবাড়ি এলাকার অন্তত ১৫-২০ জন মানুষ নিয়মিত তাদের বাড়ির চারপাশ জীবাণুমুক্ত রাখার চেষ্টা করছেন। অফিসে ঢোকার সময় সকলে যেন নিয়ম মেনে হাত ধুয়ে নেন, সেদিকটাও দেখেন তিনি। তার যেন কোনো ক্লান্তি নেই, দিনরাত এভাবে তিনি কিছু-না-কিছু করেই চলছেন।
April 13, 2020

সচেতন হলে বাঁচবে প্রাণ

“সৃষ্টিকর্তাই আমাদের বাঁচাবে, কোনো আলাদা থাকার দরকার নাই, হাত কেন ধুতে হবে”- এই কথাগুলো বস্তির প্রায় সবার কাছ থেকে শুনেছি আমি। শুরুর দিকে করোনাভাইরাস নিয়ে কথা বললে কেউ আমার কথা বিশ্বাসই করতে চাইতেন না। এটাই ছিল মানুষকে সচেতন করার পথে প্রথম ধাক্কা। অজ্ঞতা যে দুর্যোগ প্রতিরোধের পথে কত বড় প্রতিবন্ধকতা তা এই মানুষগুলোর চোখের দিকে তাকিয়ে আমি বুঝতে পারি।
April 12, 2020

দুই দিনে ১২১০টি, তারপর সারাদেশ জুড়ে

বৃত্তের ভেতরে দাঁড়িয়ে মানুষ দোকান থেকে কেনাকাটা করলে ভাইরাস সংক্রমণ অনেকটাই হ্রাস পাবে। দুই দিনে তাই আমরা ৫টি উপজেলায় ৮টি বাজার এবং অসংখ্য অলিগলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার দোকানের মধ্যে ২২৯টি ফার্মেসি ও ৯৮১টি মুদি দোকানে সামাজিক দূরত্বের বৃত্ত এঁকে ফেললাম।